fnd88 শুধু একটা বেটিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের একটা নির্ভরযোগ্য জায়গা। আমাদের মিশন, মূল্যবোধ ও দলের সাথে পরিচিত হন।
fnd88-এর গল্পটা শুরু হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কেন বিশ্বমানের অনলাইন বিনোদন থেকে বঞ্চিত থাকবেন? দেশের কোটি কোটি মোবাইল ব্যবহারকারী, বিকাশ-নগদের মাধ্যমে সহজ পেমেন্টের সুবিধা, আর ক্রিকেট-ফুটবলের প্রতি অসাধারণ ভালোবাসা — এত সম্ভাবনা থাকার পরেও বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য সত্যিকারের ভালো একটা প্ল্যাটফর্ম ছিল না।
২০২০ সালে fnd88 যাত্রা শুরু করে এই শূন্যস্থান পূরণ করতে। প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের মাথায় রেখে একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো। মোবাইলে মসৃণভাবে চলবে, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যাবে, দেশীয় পেমেন্ট পদ্ধতিতে সহজে জমা ও তোলা যাবে — এই তিনটা বিষয়ই fnd88-এর মূল ভিত্তি।
পাঁচ বছরে fnd88 অনেক দূর এসেছে। প্রথম কয়েক হাজার সদস্য থেকে আজ পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী। ক্রিকেট বেটিং দিয়ে শুরু, এখন স্পোর্টস বেটিং থেকে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, লটারি — সব কিছু একই ছাদের নিচে পাওয়া যায়। তবুও মূল কথাটা বদলায়নি — fnd88 বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের কথা ভেবে তৈরি।
আমাদের মূল বৈশিষ্ট্য যা fnd88-কে বাকিদের থেকে আলাদা করে
fnd88-এর মিশন খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য, মজাদার ও নিরাপদ অনলাইন বিনোদন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। এটা শুধু কাগজে লেখা কথা নয়, প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই হয়।
আমরা বিশ্বাস করি যে বিনোদন একটা অধিকার — আর সেই বিনোদন যেন কখনো সমস্যার কারণ না হয় সেটা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। তাই fnd88-এ দায়িত্বশীল গেমিং টুলস দেওয়া আছে — ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন, রিয়েলিটি চেক।
fnd88-এর পেছনে যারা কাজ করছেন প্রতিদিন
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, কিন্তু বেশিরভাগ বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশকে শুধু একটা বাজার হিসেবে দেখে। তারা তাদের পুরনো ইন্টারফেস অনুবাদ করে বাংলায় দিয়ে দেয়, কিন্তু আসলে বাংলাদেশের মানুষের অভিজ্ঞতা কেমন সেটা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই।
fnd88 এই জায়গাটায় আলাদা। এখানে টিম মিটিংয়ে প্রায়ই একটাই প্রশ্ন ওঠে — "এটা কি ঢাকার একজন সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য সহজ হবে?" এই মানসিকতা থেকেই এসেছে বাংলা সাপোর্ট, বিকাশে দ্রুত পেমেন্ট, মোবাইলে স্মুথ পারফরমেন্স।
fnd88-এর অনেক ফিচারই এসেছে সরাসরি সদস্যদের পরামর্শ থেকে। যেমন বাংলায় লাইভ চ্যাট — শুরুতে শুধু ইংরেজিতে ছিল, কিন্তু সদস্যরা বলেছেন বাংলায় হলে ভালো হতো। ছয় মাসের মধ্যেই বাংলা সাপোর্ট চালু হয়েছে। নগদ পেমেন্ট, মোবাইল-অপ্টিমাইজড লটারি ইন্টারফেস — এগুলোও ব্যবহারকারীদের চাওয়া থেকে তৈরি।
fnd88-এ একটা ফিডব্যাক সিস্টেম আছে যেখানে যেকোনো সদস্য মতামত দিতে পারেন। প্রতি মাসে এই মতামতগুলো বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আপডেটের পরিকল্পনা করা হয়। এই কারণেই fnd88 প্রতি মাসে কিছু না কিছু নতুন আনে — শুধু গেম নয়, অভিজ্ঞতাও উন্নত হয়।
বাংলাদেশে ক্রিকেট মানে শুধু খেলা নয়, এটা একটা আবেগ। জাতীয় দলের ম্যাচের দিন সারা দেশ একসাথে শ্বাস নেয়। fnd88 এই আবেগটাকে সম্মান করে — বাংলাদেশের ম্যাচে বিশেষ অডস বুস্ট, বাংলায় ম্যাচ প্রিভিউ, আর সাকিব-মাশরাফির মতো পরিচিত মুখদের নিয়ে কনটেন্ট — এই সব মিলিয়ে fnd88-এর স্পোর্টস বিভাগটা অন্যরকম।
ফুটবলও কম নয় — ইউরোপের বড় লিগ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ পর্যন্ত সব ম্যাচে বেটিং মার্কেট আছে fnd88-এ। লাইভ বেটিংয়ে ইন-প্লে স্ট্যাটস দেখতে দেখতে বেট রাখা যায়, যেটা গেমটাকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।
fnd88 বিশ্বাস করে যে বিনোদন যেন কখনো বোঝা না হয়ে ওঠে। তাই প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু টুলস আছে — দৈনিক বা সাপ্তাহিক ডিপোজিট লিমিট নিজেই সেট করা যায়, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট বিরতিতে রাখা যায়, এমনকি চাইলে স্থায়ীভাবে বন্ধও করা যায়। এই টুলসগুলো ব্যবহার করতে কোনো কারণ দেখাতে হয় না।
fnd88-এর সাপোর্ট টিমকে বলা হয়েছে — কোনো সদস্য যদি মনে করেন খেলা তাদের জন্য সমস্যা হয়ে যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে সাথে সাথে সাহায্য করতে। সমস্যার লক্ষণ দেখলে সাপোর্ট টিম নিজে থেকে যোগাযোগ করতে পারে। আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন দায়িত্বশীল খেলা পেজ।
fnd88 এখানেই থামছে না। আগামী দিনে আরও বেশি স্থানীয় টুর্নামেন্ট, বাংলাদেশের বিশেষ উৎসব ঘিরে বিশেষ ইভেন্ট, এবং আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ আসছে। আমরা চাই প্রতিটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারী যেন মনে করেন — fnd88 আমার জন্য তৈরি।
মাত্র চার ধাপে শুরু করুন
সদস্যদের সাধারণ কিছু প্রশ্ন